
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফরিদগঞ্জ গুপ্টি ইউনিয়নে ফসলি জমিতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে, এঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
৬ মার্চ (রবিবার) ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দত্তের বাড়ির সুজন ভাটকে তার বাড়ির লোকজন মারধর করে, এতে সুজন বাদী হয়ে ঐ দিনেই থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে।
অভিযোগের আলোকে সুজন ভাট জানান, মিজানুর রহমান, সোহেল বেপারি, ইউসুফ বেপারি, রিয়াদ বেপারি, জসিম বেপারিসহ কয়েকজনে আমার সাথে খুবই উশৃংখল ও খারাপ আচরন করে। এরা আমাকে একা পেলেই মারধর করে এবং আমাকে মেরে পেলার হুমকি দেয়।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি আমাকে কোপাইয়া জখম করে এবং চুরি দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে। সেপ্রেক্ষিতে আমি বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করি, যাহার নং তারিখ ০৬/০২/২০২২ইং ধারা ১৪৩-৩২৩-৩২৪-৩০৭-৩৭৯-৫০৬(২) পেনাল কোড রুজু হয়। উক্ত মামলা হইতে উল্লেখিত বিবাদী বিঞ্জ আদালতে হাজির হইয়া জামিনে মুক্তি লাভ করে গত ৬-৩-২০২২ইং তারিখ রবিবারে তারা পুনরায় এলোপাতাতী কিল, গুশি, লাথি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলফুলা জখম করে, হুমকী দিয়া বলে আমাকে দেখিয়ে দিবে, আমাকে শান্তিতে বাড়ি ঘরে থাকতে দিবে না, মামলা করার সাধ মিটাই দিবে, উক্ত মামলা উঠাইয়া না আনিলে আমাকে সহ উক্ত মামলার সাক্ষীদেরকে সুযোগ মতন পাইলে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি দেয়, যে কোন সময় আমাদের জানমালের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে।
মিজান ভাটগংদের মধ্যে মিজানুর রহমান জানান সুজন ভাটদের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নাই, তারা ষড়যন্ত্র করে বারবার আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।
এই বিষয় স্হানীয় বাসিন্দা শাহআলম জানান তাদের সাথে বিগতে দিনেও সমস্যা ছিল। গত ৬ মার্চ রবিবার পূর্বের মামলা থেকে জামিন পেয়ে সুজন ভাটের উপর হামলা করে, এবং তাকে মেরে পেলার হুমকি দেয়।
ইউনিয়ন আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজনের ভাটের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে পেরেছি, তবে আমরা চাই যেহেতু এলাকার মানুষ আমরা চেষ্টা করবে তাদের সমস্যা গুলো সমাধান করবো। মারামারি বিষয়গুলো আমরা শুনেছি। ভিবিন্ন সময় তাদের ভাইদের সাথে অন্যদের সমস্যা নিয়ে শালিশ বৈঠক ও করছি। তারা সংখ্যায় ভাই বেশি তাই পাওয়ার ও বেশি।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন আখন্দ জানান সুজন ভাট ও মিজান ভাটদের দ্বীর্ঘ দিনের সমস্যা। কিছুদিন আগেও মিজান ভাটরা ষড়যন্ত্র করে সুজন ভাটকে মাদক দিয়ে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়।তবে এলাকার স্হানীয়রা মিলে তাদের দ্বীর্ঘ দিনের সমস্যাগুলো সমাধান করা উচিত।
ইউপি মেম্বার শহিদ হোসেন বলেন এগুলো তাদের দ্বীর্ঘদিনের সমস্যা আমরা উভয় পক্ষকে এক জায়গায় বসে সমাধান করার চেষ্টা করতেছি। ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান পাটোওয়ারী বলেন তারা উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে চেষ্টা করবো তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে দিতে।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদ হোসেন বলেন অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।