খালেদাজিয়া মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে চাঁদপুরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী ও সুচিকিৎসার দাবীতে চাঁদপুর ৮ উপজেলার নেতাকর্মিদের সম্মিলিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১২ জানুয়ারি (বুধবার) বিকালে বিএনপির আয়োজনে এসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠের সমাবেশ করা কথা থাকলেও প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ মুনিরা এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এসমাবেশ।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক মনির চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক সাঈদ,এসময় চাঁদপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ, সহযোগী কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,
এই সরকারকে মানুষ আর দেখতে চায় না। জনগণ আশা করে এই সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় নিরপক্ষে সরকারের মাধ্যমে আগামী দিনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। যার মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। তাহলে আমরা বিদেশে যে বদনাম কুড়াচ্ছি সেটি থেকে মুক্ত হতে পারবো। দেশের জনগণকে মুক্ত করে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারবো। সরকার আইনের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নেয়ার ক্ষেত্রে আইন নয়, সরকারই বাধা।

তিনি বলেন, নির্বাহী আদেশকে সংশোধন করলেই খালেদা জিয়া বিদেশে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেন। এটি এমন কোনো আইনের বিষয় নয়।বিএনপির এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সারাদেশের মানুষ সোচ্চার। খালেদা জিয়া যে নির্বাহী আদেশে সাময়িকভাবে মুক্ত, সেই মামলা বানোয়াট এবং তাকে ফরমায়েশি রায়ে সাজা দেয়া হয়েছে। এই সাজা আমরা অবৈধ মনে করি। তাই অবিলেম্বে তার পূর্ণ মুক্তি দাবি করছি। বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। এখন দেশে আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার নেই, তা এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক কনভেনশনে আমন্ত্রিত হয়নি। কারণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক দেশ বলে মনে করে না। বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। যে কারণে আমাদের দেশের একটি সংস্থা এবং কিছু উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আমেরিকা থেকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *