ফরিদগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ণে বরাদ্দ দেওয়া ১৪৭ বস্তা চাল বিক্রি নিয়ে তোলপাড়

ফরিদগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ণে বরাদ্দ দেওয়া ১৪৭ বস্তা চাল বিক্রি নিয়ে তোলপাড়

ফরিদগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ

ফরিদগঞ্জর উপজেলার ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামে ১৪৭ বস্তা চাল নিয়ে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠেছে । ইউপি সদস্য এমরান হোসেন তালুকদার ৩০কেজির ১৪৭বস্তা চাল  ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করেছে দরিদ্র জনগনের কাছে । স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ণের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দে দেয়া চাল কাজ না করে বিক্রি করেছে ইউপি মেম্বার। কেউ কেউ বলছেন, সেনা বাহিনী চাল চোরদের জনপ্রতিনিধীদের বাড়ি তল্লাশি করবে এ ভয়ে তড়িগড়ি করে মেম্বার চাল বিক্রী করে দেয়।

গত ১৫ এপ্রিল চাল বিক্রির ঘটনা প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে সাহাপুর গ্রামে বিভিন্ন বাড়িতে ১৪৭বস্তা চাল ৮শ টাকা দরে বিক্রি করেন ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন তালুকদার। চাল ক্রেতা মোবারক বেপারী বলেন হতদরিদ্র হাওয়ায় ইমরান মেম্বারের এর কাছ থেকে ৮ শ টাকা দরে তিন বস্তা চাল ক্রয় করেছি। এটা কিসের চাল আমাদের জানা নেই। একই গ্রামের নেছার আহমদ এক বস্তা রিয়াদ হোসেন তিন বস্তা ফারুক হোসেন দুই বস্তা কামাল হোসেন দুই বস্তা দিলু তালুকদার দুই বস্তা  এভাবে ওই এলাকার অন্যান্য লোকজন এক বস্তা দুই বস্তা করে একশত ১৪৭ বস্তা চাল ক্রয় করে উক্ত মেম্বারের কাছ থেকে । ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন তালুকদার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এগুলো কাবিখার চাল। তাকে বেপারী বাড়ী হইতে পাটোয়ারী বাড়ির ব্রীজ পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মেরামত করার জন্য ৪টন ৪শ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অপর স্থানীয়রা জানান, বেপারী বাড়ী হইতে পাটোয়ারী বাড়ির ব্রীজ পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মেরামত করার জন্য ৪টন ৪শ কেজি চাল রাস্তা মেরামত না করে সে বিভিন্ন জনের বিক্রি করে দেয় । এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী বিএসসিইউপি সদস্য ইমরান হোসেন তালুকদারের পক্ষে সাপাই স্বাক্ষী দিয়ে বলেন  এখানে কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি হয় নাই । ইউএনও শিউলী বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার দায়িত্ব দেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার  জানান, ওই ইউনিয়নের  বেপারী বাড়ী হইতে পাটোয়ারী বাড়ির ব্রীজ পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মেরামত করার জন্য ৪টন ৪শ কেজি চাল রাস্তা মেরামতের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে । কাবিখার বরাদ্দকৃত চালের বস্তা ৫০ কেজির হয়। কিন্ত মেম্বার এমরানের বিক্রিকৃত চালের বস্তা হচ্ছে ৩০ কেজির। অনিয়ম হলে  প্রকল্প কমিটির সভাপতি দায় দায়িত্ব তার উপরে পড়ে ।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *