হাজীগঞ্জের জব্দ ইলিশ গেলো মাদ্রাসার এতিম ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য

পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে ৯ অক্টোবর রাত ১২টার পর থেকে পরবর্তী ২২ দিন। কিন্তু ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রকাশ্যে খুঁজে পেলো এক ইলিশ বিক্রেতাকে। আদালত মাছগুলো জব্দ করে স্থানীয় মৈশাইদ পশ্চিম পাড়া নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসারএতিম ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য দিয়ে দেন। ঘটনাটি ঘটে বুধবার বিকেলে হাজীগঞ্জ উপজেলার রামপুর বাজারে। এ সময় মাছ বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত নগদ ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই আদালত বিভিন্ন ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে নগদ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী সিনিয়র কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।

আদালত সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে জেলার হাজীগঞ্জের কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর বাজারে আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। আদালত নিষিদ্ধ সময়ে প্রকাশ্যে ইলিশ মাছ বিক্রি করার দায়ে স্থানীয় মৎস্য বিক্রেতা হুমায়ুনকে আটক করে। এ সময় তার সাথে থাকা এক ঝুড়ি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে বিক্রেতা হুমায়ুনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। একই সময় মেডিকেল এন্ড ডেন্টিস্ট আইনে দন্ত চিকিৎসক মিজান (৪৫)কে ৫ হাজার টাকা, ব্যবসায়ী আলী আহম্মদকে ভোক্তা অধিকার আইনে ১ হাজার টাকা, বিভিন্ন ধারায় ডাঃ শাহনেওয়াকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তফা মেহমুদসহ সঙ্গীয় ফোর্স। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ আইনে ইলিশ মাছগুলো জব্দ করে মাদ্রাসা দিয়ে দেয়া হয়। ইলিশ নিষিদ্ধের পুরো সময় আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *