ফরিদগঞ্জে বেড়েছে মটর সাইকেল চুরি!

আমান উল্লাহ খাঁন ফারাবী:
চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে মটর সাইকে চুরি, আতঙ্কে আছেন সাধারণ মানুষ।

জানা যায়, গত কয়েক মাসে ৮/১০ টি মটর সাইকেল চুরি হয়েছে। কিন্তু এসকল মটর সাইকেল কে বা কাহারা চুরি করেছে তা এখনো জানা যায় নি। যদিও সন্দেহ ভাজন কয়েক জনকে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ইতি পূর্বে আটক করেছে।

এবিষয়ে সচেতন নাগরিক রাজৈতিক ব্যক্তিত্ব আনসার বিডিপির কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক কমান্ডারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এসকল চুরি হয় একটি চক্রবৃত্তি, যারা গ্রুপিং ভাবে বিভিন্ন স্থানে সোর্স লাগিয়ে এমটর সাইকেল গুলো চুরি করে। গ্রামের একেইবারে ভিতরে এসে কিভাবে এসকল মটর সাইকেল চুরি করে, যদি তাদের চুরির সোর্স না থাকে, তাছাড়া গ্রামের কার কার মটর সাইকেল আছে এবং কোন বাড়িতে মটর সাইকেল আছে এতথ্য পায় কি ভাবে তারা, স্থানিয় কিছু লোকের সহযোগিতায় এসকল চুরির ঘটনা ঘটে থাকে।

গতকাল ৬ নভেম্বর (শনিবার) উপজেলার কড়ৈতলী গ্রামের মিঠুন চন্দ্র দাস নামে ফ্রেশ কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার নামে এক ব্যক্তির নিজ বাড়ি থেকে টিভিএস কোম্পানির ১২৫ সিসির একটি মটর সাইকেল চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় থানায় একটি লিখিত জিডি করা হয়।

এবিষয়ে মিঠুন চন্দ্র দাসের সাথে সরেজমিনে কথা বললে, তিনি বলেন, আমি অফিসিয়াল ডিউটি শেষ করে বাড়িতে চলে যাই, আমার ঘরের পাসে বেলা ২টার পরে মটর সাইকেলটি রেখে আমি অন্য কাজে ব্যস্ত থাকি, সন্ধা সাড়ে ৬টার দিকে মটর সাইকেলটি নিয়ে বাজারে যাবো সে উদ্দেশ্যে মটর সাইকেলটি নিতে গিয়ে দেখি গাড়িটি সেখানে নাই, আশেপাশে খোজা খুজি করে দেখলাম কেউ সরিয়ে রাখছে নি, দেখলাম না, অবশেষে নিশ্চিত হলাম যে গাড়িটি চুরি হেয়েছে, আমার গাড়িটির রেজিঃ নং: LAXMIPUR-HA-11-9316, ইঞ্চিন নং: TVSFF4CJI401475 এবং চেসিস নং: -MD625BF40JIC01937,

তিনি আরো বলেন, আমি এগাড়িটি প্রায় ৩ বৎসর ব্যবহার করে আসছি। আমার অফিসিয়াল কাজসহ ব্যক্তিগত কাজ ছাড়া অন্যকোন কাজে এগাড়িটি ব্যবহার হতো না।

এবিষয়ে খবর নিয়ে আরো জানা যায়, গত কয়েক দিন আগে উপজেলা ৮নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের পাইমারি স্কুলের শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হকের এফআরসি মটর সাইকেল চুরি হয়। পশ্চিম ভাওয়াল গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির এফজেট একটি মটর সাইকেল চুরি হয়।

এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এসব চোর চক্রকে ধরে আদালতে প্রেরন করা হয়, তারা কয়েকদিন পর জামিন নিয়ে আসলে ঐসকল চোর চক্র পুনরায় আবার চুরিতে লিপ্ত হয়। মটর সাইকেল মালিকগণ এবিষয়ে আরো শতর্ক হওয়া জরুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *