
স্টাফ রিপোর্টার:
পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালাতে পারেনি চাঞ্চল্যকর শিক্ষার্থী ধর্ষনের মূল আসামী। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি মামলার আসামী এক মহিলাসহ ৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। সর্ব শেষ ১১ জানুয়ারী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষনের মুল আসামী শিমুলকে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ৯ জানুয়ারী রোববার দিবাগত রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে অপর ৩ আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আটককৃদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৯ জানুয়ারী রোববার দুপুরে দশম শ্রেনীতে পড়–য়া ওই শিক্ষার্থী স্কুল থেকে তার বাড়ীতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত কথিত যুবলীগ নেতা শিমুল মিজি (২৪), তার দুই বন্ধু ইজাজা হোসেন (২৩) ও সাব্বির হোসেন (২৪) ওই শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে জনৈক লিপি বেগমের বাড়ীতে নিয়ে লিপি বেগমের সহায়তায় ধর্ষন করে। এ সময় লিপি বেগম ধর্ষণের ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে বø্যাক মেইলের উদ্দেশ্যে। পরে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে জানালে তার মা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই ফরিদগঞ্জ থানায় বিচার প্রার্থনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করে ধর্ষন ও পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা রুজু করে থানা পুলিশ। একই রাতে ওসির নির্দেশে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাহার মিয়ার নেতৃত্বে লিপি বেগমকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যমতে কুমিল্লার নিমশার এলাকা থেকে ইজাজা হোসেন ও সাব্বির হোসেনকে আটক করতে সক্ষম হয়। মালার মূল আসামী শিমুল কে মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ফরিদগঞ্জ থানার ওসি শহিদ হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোস নিয়ে চাঁদপুরের লঞ্চ টার্মিনাল থেকে গ্রেফতার করে।
আটকের বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মামলার সকল আসামীকে খুব দ্রæত গ্রেফতার করতে পেরেছি।
ক্যাপশন: গ্রেফতারকৃত আসামীরা পুলিশের হেফাজতে