স্টাফ রিপোর্টর:
ফরিদগঞ্জে গৃদকালিন্দিয়া হাজেলা হাসমত বিশ্ব বদ্যিালয় কলেজের নামে লীজ নেয়া সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কয়েকবার অভিযোগ করলেও কোন কাজ হয়নি। বরং ওই অভিযুক্ত দখলদার কৌশলে ধীরে ধীরে একটি একটি করে দোকান তৈরি করে নিচ্ছে। অভিযোগ আছে একটি প্রভাবশালী মহল দখলদ্বারদের সহযোগিতা করছে।
জানা গেছে, ১৯৭৩-৭৪ সালে চাঁদপুর- লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে। পরবর্তীতে সড়ক নির্মাণ ও পাশ বর্ধিত হলেও সড়কের দুই পাশেই পাশে থেকে যায় অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি। সেই অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তিতে বনায়নের জন্য সড়কের পাশে অবস্থিত ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের গৃদকালিন্দিয়া বাজারে অবস্থিত গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সওজ কর্তৃপক্ষ থেকে লীজ আবেদন করে।
সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০০০ সালের ২৫ জুলাই ২৯ একর ৭১ শতক এবং ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর ১ একর ৩১ শতক সম্পত্তি জমি বনায়নের জন্য লীজ দেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেই লীজ অনুযায়ী কলেজ কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে লীজকৃত জমিতে বনায়ন করে আসছে।
কিন্তু গৃদকালিন্দিয়া এলাকার জনৈক মাসুদ হোসেন বাচ্চু খান ওই লীজকৃত সম্পত্তিতে কৌশল অবলম্বন করে দখল করে চলছে। তিনি ধীরে ধীরে গৃদকালিন্দিয়া বাজারের পাশে চাঁদপুর- ফরিদগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর সড়কের পাশে প্রথমে টিনের ঝুপড়ি ঘর তোলেন। পরে সেখানে সেমিপাকা দোকান করে ভাড়া দিচ্ছেন।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া ফরিদগঞ্জের সংসদ সদস্য থাকার সময় দখলকারী মাসুদ হোসেন বাচ্চু খান, চুপচাপ থাকলেও তাঁর সংসদ সদস্য হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি দখল প্রক্রিয়া শুরু করেন।
এই দখল ঠেকাতে গত এক বছর পুর্বে কলেজের উপাধ্যক্ষ মুনীর চৌধুরী ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হয়নি। সর্বশেষ মুজিববর্ষ উপলক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই লীজকৃত সম্পত্তির উপর বনায়ন করতে গেলে তাদের উপর হামলা করে ওই দখলদার। ঘটনার বিষয়ে কলেজের শেখ রাসেল ছাত্রাবাসের তত্বাবধায়ক ও প্রভাষক তুষার কান্তি সরকার বাদী হয়ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। যা এখনো তদন্তাধীন।
এবিষয়ে হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ খাঁন বলেন, সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং পেশী শক্তি প্রয়োগ করে কলেজের লীজকৃত সম্পত্তি মাসুদ হোসেন বাচ্চু দখল করে নিচ্ছে। আমরা ইতিপুর্বে ইউএনওর নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিলেও তিনি আবার কিছুদিন পর পুনরায় দখল কৃত স্থান নির্মাণ কাজ করেন।
এই দখল বিষয়ে মোঃ মাসুদ হোসেন বাচ্চু বলেন, আমি আমার পৈত্রিক ভূমিতে দোকান নির্মাণ করছ