
চাঁদপুর ব্যুরো : হাজীগঞ্জে জব্দকৃত মা ইলিশ গেলো হাসপাতালে। উপজেলা স্বাস্খ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তিকৃত রোগীদের জন্য জব্দকৃত প্রায় ১৩ কেজি ইলিশ মাছের ভাগ্য নির্ধারণ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দকৃত ইলিশ মাছ বহনকারী ব্যক্তিকে একই আদালত ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। শনিবার আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী। সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে ইলিশ মাছ বহনকারী এক যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করে ইলিশ মাছগুলো পাওয়া যায়। এর পরেই এই মাছ বহনকারীকে আদালত জরিমানা করে। জরিমানা প্রদানকারী মোঃ হোসেন চাঁদপুর সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে।
থানা পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার ভোরবেলা হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন এনায়েতপুর এলাকায় সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক বেলাল হোসেন ও উপ-সহকারী পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম ব্যাগে রাখা মা ইলিশের সন্ধান পায়। উক্ত ব্যাগের মধ্যে বড় আকারের ২০টি মা ইলিশ পাওয়া যায় যার আনুমানিক ওজন প্রায় ১৩ কেজি। পরে জব্দকৃত ইলিশ মাছগুলো ভ্রাম্যামাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তিকৃত রোগীদের জন্য দেয়া হয়। এ সময় আদালত মাছ বহনকারী ঐ যুবককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, মা ইলিশ ধরা বন্ধের এই সময় ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন সবই নিষেধ। এনায়েতপুর এলাকায় কোনো এতিমখানা না থাকার কারণে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তি থাকা রোগীদের জন্যে জব্দকৃত পুরো ইলিশ মাছগুলো উপজেলা স্বাস্খ্য কর্মকর্তা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারের হাতে তুলে দেয়া হয়। সূ্ত্র: চাঁদপুর কণ্ঠ