সেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে: ইসহাক মিয়া ইসহাক।

পলিটিক্যাল ডেস্ক : স্বেচ্ছাসেবক লীগের আসন্ন সম্মেলনে আলোচনার শীর্ষে এগিয়ে আছেন ইসহাক মিয়া। মোঃ ইসহাক মিয়া’ শুধু একটি নাম নয়, ইতিহাসও বটে। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সবটা সময়ই সংগ্রাম করে পার করেছেন।দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সকল কর্মকাণ্ড সম্পাদনা করেছেন। তাঁর দূরদর্শীতার কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর সকল কর্মসূচি সফলভাবে পালন করতো। আন্দোলন আর সংগ্রামের আরেক না মোঃ ইসাহাক । বি.এন.পি/জামাতের অত্যাচার, জেল জুলুমে যখন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ কোণঠাসা হয়ে সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত তখন দেখেছি তিনি কিভাবে ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রনেতাদের সাহস জুগিয়েছেন। নেতা কর্মীরা তার কাছে শিখেছেন কিভাবে একজন ছাত্রলীগের কর্মীকে মূল্যায়ন করতে হয়। তিনি একদিনেই ইসহাক মিয়া তৈরী হন নাই। অনেক ত্যাগ ও শ্রমের বিনিময়ে আজ তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি তেজগাঁও কলেজ ছাত্র সংসদে জি.এস পদে নির্বাচন করেন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক পদ লাভ করেন। ১৯৯৯ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তীতে অর্থাৎ ২০০২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। ২০০২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। চার দলীয় জোট সরকারের সময় কারাগারে অন্তরীন হন। ২০০৪ সালে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় মারাত্মক আহত হন এবং শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখনও তিনি ঠিকমতো কানে শুনতে পান না। তিনি ২০১০ সালের ২৭ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতির ইতি টানেন। দীর্ঘ ৮ টি বছর পদ ছাড়া থেকেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জনবান্ধব এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়ব করে চলেছেন। তৃণমূল আওয়ামী লীগ কর্মীরা বিশ্বাস করে ,জননেত্রী শেখ হাসিনা লাখো নেতা কর্মীদের ভিড়ে একজন সৎ মোঃ ইসহাক মিয়াকে খুঁজে নেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *