
স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে সেই এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকা-েরও উন্নয়ন হয়। এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকা-ের উন্নয়ন হলে মানুষের আয় করার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। যার প্রভাব আমাদের জাতীয় আয়ের উপরও পড়ে। সেই জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা,হাজীগঞ্জ উপজেলা মানুষের মাঝে আজ এক নতুন স্বপ্নের সূচনা হতে যাচ্ছে। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন উটতলী ব্রীজের নকশা চুড়ান্ত করণের মাধ্যমে শুধু দুই উপজেলাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে তা নয়। আশপাশের উপজেলাসহ চার উপজেলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। আশা করছি নকশা চুড়ান্ত হওয়ায় এখন দ্রুত সেতু বিভাগ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করণ শেষে দৃশ্যমান হবে। এই এলাকার ব্যবসা বানিজ্যের প্রসার ঘটবে। ব্রীজটির জন্য ভুমি অধিগ্রহণ কালে কিছু মানুষ জমি হারিয়ে ক্ষতির সম্মুখিন হলেও সরকার ক্ষতিগ্রস্থকে বর্তমান বাজার মূল্যের তিনগুন টাকা ফিরিয়ে দিয়ে আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেয়। তাই আশা করছি লোকজন ব্রীজটি দ্রত নির্মাণে সহযোগিতার হাত বাড়াবেন। ব্রীজটি হয়তা আরো আগেই হতো, কিন্তু নানা কারণে এটি হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত এটি হচ্ছে এটাই বড় প্রাপ্তি।
তিনি আরো বলেন, শুধু এই ব্রীজ নয়, চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধটি দুই লেনে উন্নিত করণ, ফরিদগঞ্জে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, মিনি স্টেডিয়াম করা হবে।
গতকাল শনিবার দুপুরে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের বাছপাড় গ্রামের ডাকাতিয়া নদীর উপর উটতলী খেয়াঘাটে উটতলী ব্রীজের নকশা চুড়ান্ত করণস্থান পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব (পিআরএল) নূরুল আমিন, সেতু বিভাগের প্রকল্প পরিচালক এবাদত আলী, এলজিইডি চাঁদপুরের নিবার্হী প্রকৌশলী ইউনুছ হোসেন বিশ^াস, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খাজে আহাম্মদ মজুমদার, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান শাহীন, সিনিয়র যুগ্মআহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন আহমেদ, আওয়ামীলীগ নেতা জসিম উদ্দিন মিন্টু, জি এম তাবাচ্চুম, মাহবুবুর রহমান টিটু মুন্সী, পৌর কাউন্সিলর খলিলুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাছপাড় ও হাজীগঞ্জ উপজেলার অলিপুর গ্রামের উপর দিয়ে ৫৫ম মিটার দীর্ঘ ১০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উটতলী ব্রীজটি চলতি অর্থ বছরের প্রথম একনেকে পাশ হয়।