মামুন হোসাইন:
জাতীয় স্কুল ফুটবলে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার ক্রিড়া সংস্থার হয়ে জেলা ও উপজেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলিক খেলায় কৃতিত্বের দাবীদার ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের নিয়মিত গোল কিপার মেধাবী ছাত্র হৃদয় চন্দ্র দাস একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ক্ষুদ্র আয়ের পিতার অস্বচ্ছলতার কারণে এই প্রতিভাবান গোল কিপারের চিকিৎসার জন্য সহায়তা চেয়েছেন তার পরিবার ও সহযোদ্ধা খেলোয়াড়রা। সঠিক সময় চিকিৎসা না হলে বড় ধরনের বিপদ বা পঙ্গুত্বের আশংকা করছেন চিকিৎসক ও তার পরিবার।
ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার দাসপাড়ার শ্যামল দাসের বড় ছেলে কৃতি গোল কিপার হৃদয়। ছোটকাল থেকে ফুটবল পাগল। প্রাইমারী পর্যায়ে তার ভালো ফুটবল খেলা দেখে তার দরিদ্র বাবা ছেলেকে ভালো ফুটবলার হিসেবে দেখার স্বপ্ন জাগে। খেয়ে না খেয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি ছেলেকে ফুটবল খেলার উৎসাহ যোগিয়েছে তার হতদরিদ্র বাবা। হাই স্কুল পর্যায়ে এসে হৃদয় বাবার স্বপ্ন পুরোনের চেষ্টা শুরু করে। আন্তঃস্কুল ফুটবলে উপজেলা, জেলা ও পরে অঞ্চলেও কৃতিত্বের ছাপ রেখে বিভাগীয় পর্যায় চলে যায়। ভালো ফুটবলার হওয়ার সহায়ক ভূমিকা এক্ষেত্রে বেশী রেখেছে ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাব। পরে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কিপার হয়ে জেলা পর্যায় বিভিন্ন উপজেলা বিরুদ্ধেও খেলে সে ভালো ফল বয়ে আনে। । এছাড়াও ফরিদগঞ্জ উপজেলার আশপাশের উপজেলা গুলোতে ভালো কিপার হিসেবে তার সুনাম আছে।
তার বাবা শ্যামল দাস ও ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দীন জানান, গত দুদিন আগে পাইকপাড়ায় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়ে, তার একটি পায়ের মূল দুটি হাড় ভেঙ্গে যায়। তাৎক্ষনিক তাকে চাঁদপুরে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে। চিকিৎসক বলেছেন, হৃদয়কে সুস্থ্য বা তার আগের অবস্থানে আনতে হলে উচ্চ চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গ হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করতে হবে। এতে তার সু-চিকিৎসার জন্য প্রায় লক্ষাধীক টাকা প্রয়োজন। তার দরিদ্র বাবার এ টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। তাই ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিত্তশালীদের কাছে হৃদয়ের সু-চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছে তার পরিবার ও সংগঠনটি। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জিয়া – ০১৭১৭৭৩৯৪৭২ ও আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দীন- ০১৮১৮৯৩৩১৭৮ এই দুটি বিকাশ নাম্বারে সহায়তাকারীদের পরিচয় দিয়ে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তার হৃদয়ের বাবা ও সংগঠনটি।