স্পোর্টস ডেস্ক, আলোকিত ফরিদগঞ্জ : ফরিদগঞ্জ উপজেলার প্রায় প্রতিটি মহল্লায় টী স্টল কিংবা ক্লব ঘর গুলোতে ওঠতি বয়সের কিশোর যুবক এবং কিছু ক্ষুদ্্র ব্যবসায়ীদের বিপিএল খেলা দেখার উৎসাহ দেখলে বুঝার উপায় নেই যে এরা খেলার দেখার পাগল বা ক্রিকেটপ্রেমী। তারা তাদের দুনিয়ার সব কিছু ভুলে গিয়ে যেখানে টিভি চলছে সেখানে ভীড় জমিয়ে ব্যস্থ হয়ে পড়ে জুয়ার নেশায়। বল রানা উইকেট এমন কি টীম জিতা নিয়ে প্রতিটি মূহুর্তে জুয়া বা বাজিতে ডুবে থাকে তারা। এই নেশায় জড়িয়ে পড়ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও।সরেজমিনে কয়েকটি এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) উপজেলার কোন একটি মহল্লার একটি দোকানে টেলিভিশন ছেড়ে দেখানো হয়। মূহুর্তের মধ্যে উঠতি বয়েসের কিশোর ও যুবকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে দেখা যায়। কেউ কেউ সরাসরি টেলিভিশনে খেলা না দেখলও মোবইলের মাধ্যমে বাজিতে মেতে ওঠছে। ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বাজারের পিছনের গল্লীর কাঁচা বাজার ও কাঠ পট্টির বেশ কয়েকটি দোকান, দাসপাড়া, কলেজ গেইট, ভাটিয়ালপুরের চৌ-রাস্তা, কালিবাজরে চৌ-রাস্তা, বড়ালী হাসপাতাল এলাকা ও কেরোয়া ব্রীজের কয়েকটি দোকান। এছাড়াও উপজেলার বড় বাজার গুলোর মধ্যে- রূপসা, গৃদকালিন্দিয়া, চাঁদ্রা, গল্লাক, মুন্সির হাট কালির বাজার, পিরোজপুর, রামপুর, গোয়ালভাওর, ধানুয়া, সাহেবগঞ্জসহ বিভিন্ন মহল্লায় প্রতিদিন বিপিএল চলাকালে এইসব বাজিগররা বাজি খেলাতে ব্যস্থ হয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় স্কুল করেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরাও এই বাজে কাজের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজল ও বশির আহম্মদ জানান, এই নেশাটি আমাদের ফরিদগঞ্জের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে একটি অধপতন ব্যধি হয়ে দাড়িয়েছে। অনেক জায়গায় দেখি দোকানের সামনে কিশোর যুবকদের সাথে কিছু কিছু শিক্ষার্থীও ভীড় জমিয়ে খেলা দেখার বান করে বাজি বা জুয়ায় মিশে যাচ্ছ। এদেরে রক্ষা করতে সমাজের সর্বস্তরের সহযোগিতা প্রয়োজন।কয়েকজন দোকানী বলছেন, এরা যে বাজি খেলছে তা বলা বা ধরা মুশকিল। বেশ কিছু সময় তাদের লক্ষ্য রাখলে, তাদের বাজি খেলা চোখে ধরা পড়বে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরি, এ ব্যাপারে বলেন- বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা পুলিশী সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রনের ব্যস্থা করবো।